deshbangla71news.com
Image default
তথ্যপ্রযুক্তি

আন্তঃমহাদেশীয় ভ্রমণের জন্য স্পেসশীপ নেটওয়ার্ক


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আচ্ছা, আজ থেকে কয়েক বছর আগের কথা যদি কল্পনা করি এবং সেই সময়টিতে কেউ যদি আপনাকে বলতো দৈনন্দিন পরিবহণের একটি মাধ্যম হিসেবে স্পেসশীপ কল্পনা করতে আপনি নিশ্চয়ই লোকটিকে পাগল নামেই ভূষিত করতেন। কিন্তু, এটি হাস্যকর হলেও সত্যি যে, আন্তঃমহাদেশীয় যাত্রীবাহী পরিবহন হিসেবে স্পেসশীপ নেটওয়ার্ক তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান।
জাপান সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা মিলিত ভাবে এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে।

পরিবহন ব্যবস্থায় স্পেসশীপ নেটওয়ার্ক এর ব্যবহার মানুষের যাত্রাপথের সময়কে অনেক গুণ কমিয়ে আনবে। এতে বিশ্বের বড় বড় শহর গুলোতে ২ ঘন্টা বা তারও কম সময়ে যাতায়াত সম্ভব হবে।

১২ই মে, জাপানের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় তাদের এই পরিকল্পনাটি উন্মোচন করে। তাদের লক্ষ্য ২০৪০ এর দশকের গোড়ার দিকেই এটিকে বাস্তবে পরিণত করার।

মন্ত্রণালয়টি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কেমন ব্যয় হতে পারে তারও একটি পরিমান জানিয়েছে। তাদের গণনা অনুযায়ী এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় আসবে মোটামোটি ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৩৮,৯৪৫ কোটি টাকা।

মন্ত্রণালয়টি দুই ধরণের স্পেসশীপ এর কথা বলেছে – যার একটি অনেকটাই বিমানের মতো, যা উড়তে ও নামতে রানওয়ে ব্যবহার করবে। অপরটি উলম্বভাবে উড়তে ও অবতরণ করতে পারবে।

যদিও এই প্রথম কোনো দেশ স্পেসশীপ নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরিকল্পণা হাতে নিয়েছে, স্পেসএক্স এর সিইও ইলন মাস্ক ২০১৭ সালেই পৃথিবীতেও দূর-দূরান্তের ভ্রমণে একটি আন্তঃপরিকল্পনা রকেট ব্যবস্থা ব্যবহার করার বিষয়ে সংক্ষেপে কথা বলেছিলেন।

ধারণাটি ভাগ করে ইলন মাস্ক দাবি করেছিলেন, এই জাতীয় নেটওয়ার্ক একবার চালু হয়ে গেলে লোকেরা ঠিক আধ ঘন্টার মধ্যে সর্বাধিক দূরত্বের যাত্রা পার করতে এবং এক ঘন্টার মধ্যে পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় যেতে পারে, যেখানে খরচ হবে প্রায় একটি ইকোনমি বিমানের টিকিটের সমান।


Related posts

অ্যাপেল এয়ারট্যাগ হ্যাক, ফার্মওয়্যার লুপহোল খুঁজে পেলেন গবেষকগণ

স্থগিত করা হলো আমেরিকায় শাওমি’র নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইন্টেল রকেট লেক

Kazi MD Sazzad Hasan