deshbangla71news.com
জাতীয়

ইতিহাসের কিংবদন্তি বঙ্গবন্ধু


দেশ বাংলা ৭১ নিউজ ডেস্কঃ আগষ্ট শোকের মাস,পাপামগ্ন, নির্মম- নিষ্ঠুর জাতিকে পাপ থেকে মুক্ত করো কান্নায় কান্নায়। কাঁদো বাঙালী কাঁদো। (মুজিব শতবর্ষে) ৪৫ বছর পেরিয়ে আজ মেঘ ফুঁড়ে উঠেছে মুজিবসূর্য বাংলার আকাশে, উল্লাসে নয় কান্নার মঙ্গল ধ্বনিতে আজ আবাহন করো তারে। কাঁদো বাঙালী কাঁদো।
১। সুচনাঃ-
ফরিদপুর জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ
করেন আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্বে এক অকুতোভয় নেতার জম্ম বাংলাদেশে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তিনি। ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহনে তিনি। স্বাধীকার ও স্বাধীনতার আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বিশ্ব দরবারে দঃ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী সাহসী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তোলেন নিজেকে তিনি। ভারতীয় উপমহাদেশে গনতন্ত্র ও স্বাধীকার আন্দোলনসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে আহবানে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত হয়ে উঠেন শেখ সাহেব, শেখ মুজিব। বাংলার আপামর জনগণের উপাধিতে ভূষিত হন বঙ্গবন্ধু।
২। সর্বশ্রেষ্ট বাঙালী বঙ্গবন্ধুঃ-
বাংলা ভাষা এবং বাঙালী কৃষ্টি-সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও ইতিহাস রক্ষার আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় নিয়ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালির মননে-শয়নে
স্বপ্নের হৃদয়ে নিজেকে জাগানিয়া করে তোলেছিলেন একমাত্র তিনি। তাই প্রাচীন বাঙালী সভ্যতার আধুনিক স্হপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালী পৃথিবীতে তিনিই(উল্লেখ্য যে,২০০৪ সালে বিবিসি কতৃক জনমত জরিপে সর্বকালের সর্বশেষ্ট বাঙালী নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু)।
৩।মুজিববাদ ও বঙ্গবন্ধুঃ-
সমাজে দুটি শ্রেণী শোষক আর শোষিত। শোষিতের পক্ষে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। মতাদর্শেগতভাবে বাঙালী জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। এই চার নীতি মুজিববাদ নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার চালিকাশক্তিই হলো এই চার নীতি।
৪। বৃটিশ- ভারত রাজনীতি ও বঙ্গবন্ধুঃ-
১৯৩৯ সালে মিশনারী স্কুলে পড়ার সময় রাজনৈতিক জীবনের সুচনা শুরু করেন বঙ্গবন্ধু। তৎকালীন সময়ে মুখ্যমন্ত্রী জনাব শেরেবাংলা ফজলুল হক এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জনাব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মিশনারী স্কুলে পরিদর্শনে আসেন। সেই সময়ে স্কুলের সংষ্কার ও কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে একটি দলের নেতৃত্বে হাজির হন বঙ্গবন্ধু। এইভাবেই রাজনীতির পাঠশালায় হাঠি হাঠি পা পা এগিয়ে বিশ্বনেতার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু।
৫। যুক্তবঙ্গ আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুঃ-
১৯৪৬ সালে কলকাতায় হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা হয়। মুসলিম রক্ষা ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের জন্য জনাব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনার নেতৃত্ব দলে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তৎসময়ে জনাব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জনাব আবুল হাশিম, বাবু শরৎচন্দ্র বসু প্রমুখের নেতৃত্বে ভারত ও পাকিস্তান কতৃত্বের বাইরে ” অবিভক্ত স্বাধীন বাংলা ” প্রতিষ্টায় সংগঠিত ‘ যুক্তবঙ্ আন্দোলন’ এ যুক্ত হন বঙ্গবন্ধু।
পরিশেষে, বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশে গানটি নিজেদেরকে আমাদেরকে আন্দোলিত করে—
যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই,
রাজপথে আবার মিছিল হতো বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই।
তবে বিশ্ব পেত এক মহান নেতা,
আমরা পেতাম ফিরে জাতির পিতা।
যতদিন থাকবে শেখ হাসিনার হাতে দেশ,
পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
লেখক : এডভোকেট মোহাম্মদ আবুল হাশেম, ডেপুটি এর্টনি জেনারেল, সাবেক জেলা পিপি।


Related posts

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল পাকিস্তানের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পল্লবীতে শিশু গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

deshbangla71news.com

বঙ্গবন্ধু যেন এক সোনার টুকরো

নিজস্ব প্রতিবেদক