deshbangla71news.com
  • Home
  • জাতীয়
  • বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল পাকিস্তানের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে
জাতীয়

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল পাকিস্তানের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে নয়, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির কাছে পাকিস্তানের চরম পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীতে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এমন দাবি করেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে পাকিস্তানি চক্র ও তাদের এদেশের দোসরদের কথা এখন দেশের মানুষ জানে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বদলা নিতে হলে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর হত্যার রায় পুরোপুরি কার্যকর দেখতে চায়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু একদিনে জাতির পিতা হননি। নিজে স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের। কারোর দয়ায় এদেশে স্বাধীনতা আসেনি। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির মহানায়ক। তার ডাকেই বাঙালি জাতি জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, এটা করা হয়েছিল পাকিস্তানের চরম পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী অনেকের ফাঁসি হয়েছে, অনেকে পলাতক থাকায় রায় কার্যকর করা যায়নি। তাদেরকে দেশে এনে রায় কার্যকর করা হবে।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে ছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সকল চেতনাকে ধ্বংস করেছিলেন। যতদিন এদেশে আওয়ামী লীগ থাকবে ততদিন জয়বাংলা স্লোগান থাকবে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের পুনর্বাসন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের এজেন্ট। জিয়াউর রহমানসহ যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু নানা পরিকল্পনার মাধ্যমে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করা হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। জয় বাংলা স্লোগানকে নিষিদ্ধ করেছিলেন জিয়াউর রহমান। টেলিভিশন ও রেডিওতেও জয়বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করেছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহারকারী ভূঁইফোড় সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদকে ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের মধ্যেও ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ’ নামের একটি সংগঠনের কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা আজম।


Related posts

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন করল হালিশহর থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

Kazi MD Sazzad Hasan

‘বঙ্গবন্ধু সংস্কৃতি চেতনাসমৃদ্ধ রাজনীতিক ছিলেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক