deshbangla71news.com
  • Home
  • অর্থনীতি
  • দেশে বেকারত্ব থাকলেও পশুপালন বিদ্যায় চাকরির সমারোহ
অর্থনীতি

দেশে বেকারত্ব থাকলেও পশুপালন বিদ্যায় চাকরির সমারোহ


 

এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী ও বাংলাদেশ

এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী সাবজেক্টের পরিচয়-

 

এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী বহিঃবিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যানিমেল সাইন্স নামে পরিচিত। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন অনুষদের সূচনা হয় ১৯৬২ সালে। পটুয়াখালী সায়েন্সএন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে ২০১২ সালে এএইচ এর যাত্রা শুরু হয়।এর নিজস্ব ৫ টি ডিপার্টমেন্ট রয়েছে-
1.Department of dairy science
2.Department of poultry science 3.Department of animal breeding and genetics
4.Department of animal science and animal nutrition
5.Department of animal products and by products technology
দুঃখজনক হলেও সত্য বহিঃবিশ্বেএএইচ অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত হলেও বাংলাদেশে সাবজেক্ট টা ততটা পরিচিত নয়, তার জন্য অবশ্য আমরাই দায়ী।একাডেমিক সময়কাল চার বছর ছয় মাসের মধ্যে শেষ ছয় মাস শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ব্যবসায়িক খামার ও অনেক ক্ষেত্রে ইন্ডাস্ট্রি সহ দেশের বাহিরে (নিজ খরচে) ইর্ন্টানিতে পাঠানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি মাসে ১৫০০০ টাকা করে ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারদের মতো কৃষিবিদদের ওপ্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়েছেন। এনিমেল হাজবেন্ড্রী পড়ে নামের আগে কৃষিবিদ টাইটেল যোগ করতে পারবে।দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই কমন সাবজেক্টে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী বের হয় ফলে চাকরির বাজারে স্বল্প বেতনের চাকরি খুঁজতে খুঁজতে জুতার তলা ক্ষয় হয় অন্যদিকে এএইচ গ্রাজুয়েটদের সংখ্যা কম হওয়ায় বেসরকারি চাকরির বেতন শুরু হয় ৩০০০০-৩৫০০০টাকার মধ্যে।সাধারণ বিসিএস ক্যাডার, প্রফেশনাল বিসিএস ক্যাডার ও উদ্যেগক্তা হওয়ার বিশাল সুযোগ তো রয়েছে-ই।যেকোন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এগ্রোনোমি মেডিসিন, এগ্রিকালচার এক্সটেনশন ও ইকোনমিক সাবজেক্ট এ এমএস করার সুযোগ রয়েছে।

কেন পড়বেন?

অনেকেরই ইচ্ছে থাকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার রসায়নবিদ, ফার্মাসিস্ট ইত্যাদি হওয়া।কেউ তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, আর কেউ পারেবেনা।সবার স্বপ্নের একটি জায়গায় এসে মিলে সেটি হচ্ছে দেশ ও দশের সেবা করা। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের খাদ্য তালিকায় প্রয়োজনীয় আমিষের ঘাটতি থাকে,প্রতি কেজি ওজনের জন্য 0.৮গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ৫৬গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। মহিলার ক্ষেএে ৪০গ্রাম। বেশিরভাগ মানুষেরইএই চাহিদা পূরণ না হওয়ার অন্যতম কারণ প্রাণিজ আমিষের উচ্চমূল্য। আমরা জানি যে ফার্মের মুরগির ক্রয় ক্ষমতা অনেকের থাকলেও গরু ছাগলের মাংসের ক্ষেত্রে তা সাধ্যের উর্ধ্বে।

গরুর মাংসের ক্ষেত্রে দেখা যায়ঃ
বাংলাদেশ- ৬০০ টাকা
ভারত- ১৬০ টাকা
পাকিস্তান-৪৫০
দামের এই পার্থ্যকের কারন হিসেবে অনেকে যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে পারে ভারতে গরুর মাংসের চাহিদা কিন্তু পাকিস্তানের ক্ষেত্রে কোনো যুক্তিই গ্রহণযোগ্য নয় বাংলাদেশের জনসংখ্যা যেখানে প্রায় ১৮২ দশমিক ২ মিলিয়ন, পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২১৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন। পাকিস্তান ভালোভাবেই প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছে। এখনই উপযুক্ত সময় প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাণীজ আমিষের চাহিদা পূরণে গরু ছাগলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা।

সমস্যা আছে। এই সমস্যা মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে। সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশের সেবায় মনোনিবেশ করতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ অর্জিত হবে।
সরকার খাতটিকে আরো গুরুত্ব সহকারে নিলে প্রানীজ আমীষের চাহিদা পূরন হবে।বাংলাদেশের আরো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুুলোতে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী সাবজেক্ট খুললে এএইচ গ্রাজুয়েটদের চাহিদা পূরন হবে। যা দেশের ও জাতির জন্য ভালো হবে।


Related posts

শীতার্ত মানুষের মাঝে ভালোবাসার উষ্ণতা বিতরণ

Kazi MD Sazzad Hasan

৪ থেকে ১০ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

শোক সংবাদ

Kazi MD Sazzad Hasan