1. faolimited01753@gmail.com : Fao Limited : Fao Limited
  2. admin@deshbangla71news.com : deshbangla71news.com :
  3. artaimoon@gmail.com : AR Taimoon : AR Taimoon
  4. kazimdsazzadhasan@gmail.com : Kazi MD Sazzad Hasan : Kazi MD Sazzad Hasan
  5. partspermillion01@gmail.com : MD Rakib : MD Rakib
সন্দ্বীপের আয়তন সহজ পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সমান করা যাবে - deshbangla71news.com
রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৯:২০ অপরাহ্ন

সন্দ্বীপের আয়তন সহজ পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সমান করা যাবে

মারুপ হাসান
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

সমুদ্র থেকে ভূমি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে দ্বারস্থ হয়েছিলাম সন্দ্বীপি প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমানের কাছে।

তিনি বলেছিলেন, ভারত মহাসাগরের পানিতে কোনো বালি কিংবা কাদা নেই। ভারত থেকে মাটি, চুন ও সুরকির মিশ্রণ বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে সাগরে নিক্ষেপ করার মাধ্যমে সাগর পাড় উঁচু করা হয়।

মালদ্বীপ ভ্রমনের সময় তাঁর সৌজন্য সাক্ষাত হয়েছিলো মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্টের সাথে । ভূগোলের ছাত্র হিসেবে মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মামুন আব্দুল কাইয়ুম প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমানকে বলেছিলেন যে, সন্দ্বীপের মানুষের সাগর থেকে ভূমি উদ্ধারের অনেক সুযোগ বিদ্যমান। কারন আমাদের সন্দ্বীপের সাগর বালি কাদা যুক্ত পানি । বাঁশ এবং কাঠ দিয়ে নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে সমুদ্র থেকে ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব । পলি জমা হয়ে এ কৃত্রিম বাঁধে ভূমি উঁচু হয়ে বাসযোগ্য করারও সুযোগ রয়েছে।

ভাটার সময় সমুদ্রে বিশাল চর ভেসে উঠে যেখানে হাঁটা যায়। এই ভূমিকে পুনরুদ্ধার করে বাস যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পচনশীল পদার্থ ব্যবহার করা যায়। যেমন:বাঁশ ও কাঠ। একদা আমাদের ধারণা ছিল যে,বড় জাহাজ ডুবিয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পলি জন্মানোর মাধ্যমে ভূমি পুনরুদ্ধার করা যাবে। যেহেতু এই পদ্ধতি তুলনামূলক ব্যয়বহুল তাই বাঁশ দিয়ে বাঁধ দেয়ার পদ্ধতিই গ্রহণযোগ্য।

বর্তমান সরকার জলবায়ুর ব্যাপারে বেশ সচেতন। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ হচ্ছে। সেভাবে বাঁশ স্রোতের বিপরীতে বসিয়ে বাঁধ তৈরি করা হলে, ভাটার সময়ে পানি বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে সেখানেই পলি জমে একটা বৃহদাকার ভূমি জেগে উঠবে।

বর্তমানে সন্দ্বীপে সমুদ্র থেকে বিভিন্ন চর জেগে উঠছে।যেমন : ভাসানচর যেটা সন্দ্বীপ থেকে খুব কম দূরত্বের হলেও বর্তমানে তা নোয়াখালীর অধীনে। যে কষ্ট এটা ফিরে না দেয়া পর্যন্ত আমাদের সন্দ্বীপিদের থাকবে।

সন্দ্বীপ হতে পারে সিঙ্গাপুরের আদলে গড়ে উঠা একটি আধুনিক পর্যটন শহর।

কিছু ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়েই মালদ্বীপ গঠিত। নতুন ভাবে জেগে উঠা এবং ভূমি পুনরুদ্ধারকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত দ্বীপের জায়গাসমূহ দিয়েই একটি দ্বীপরাষ্ট্র গঠিত হয়েছে।

সন্দ্বীপ যদি একটি জেলা হয় তবে সেটি খুবই সমৃদ্ধ জেলা হবে কেননা সুপ্রাচীনকাল থেকে সন্দ্বীপ ইতিহাস -ঐতিহ্য, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অনন্য।এই জনপদের অর্থ দিয়েই অবকাঠামোগত উন্নতির শীর্ষে অবস্থান করবে সন্দ্বীপ। শিক্ষা,সংস্কৃতি,অর্থনীতি সব দিক থেকেই সন্দ্বীপ অনেকটাই এগিয়ে আছে।

সন্দ্বীপের মাটি উর্বর এবং এর পরিবেশ প্রাকৃতিক প্রাণীদের বসবাস উপযোগী। এমনকি মাঝে মাঝে এই দ্বীপে কিছু বিলুপ্ত বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। দ্বীপের কালাপানিয়ার পশ্চিমে সুবিশাল ভূমি জেগে উঠেছে যেটা পশুর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

সন্দ্বীপে সমুদ্র থেকে ভূমি উদ্ধারের প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমুদ্রের মাঝে আমরা বাংলাদেশের আয়তন দ্বিগুণ গড়ে তুলতে পারবো।
Dr Shaleha Kader

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত