deshbangla71news.com
  • Home
  • আরো
  • তিন যুবকের দেখা স্বপ্নের বাস্তব রূপ
আরো

তিন যুবকের দেখা স্বপ্নের বাস্তব রূপ


এ আর এম আবরার উল হকঃ করোনাকালীন সময়ে যখন চারিদিকে ব্যবসায় অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ঠিক তখন সন্দ্বীপের তিন ভাই মিলে ব্যবসা করার সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

নিজেদের স্বপ্নের নামকরণ করেন তারা এম-ফ্রিক্স। ছেলে,মেয়ে, শিশু কিংবা যেকোনো বয়সের মানুষদের জামা-কাপড় বিক্রয়ের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি চালিত হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের ১৬ই আগস্ট তারা এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করেন। প্রবাসী চাচা ইসমাইল হোসেন মুরাদের সহযোগীতায় নিজেদের সপ্নের পথে পা বাড়ায় তিন ভাই মাহমুদ আলী মোহাব্বত, মেহরাজ হোসেন অপূর্ব এবং মোবারক আলী মুন্না।

খুব বেশিদিন নয়, কেবল নয় মাসের এই সফরে তারা আজ বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদীয়মান ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে।

সাক্ষাৎকারে তাদের থেকে জানা যায়, এই নয় মাসে প্রায় ১২ লাখ পর্যন্ত তাদের পণ্য বিক্রয় হয়েছে। মাসে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার পর্যন্ত টাকার পণ্য তাদের বিক্রয় হয়। ১৮০ জিএসএম সলিড টি-শার্ট, পোলো টি শার্ট, প্রিন্টেড টি-শার্ট, ফুলস্লিভ ব্ল্যাক এরকম নানান ধরনের টি-শার্ট তারা ছেলেদের জন্য বিক্রয় করে থাকেন।

পাশাপাশি মেয়েদের জন্যও তারা এই ধরণের টি-শার্ট বিক্রয় করে থাকেন। এ ছাড়া মেয়েদের জন্য রয়েছে অন-পিচ, টু-পিচ, থ্রী-পিচ।মেয়ে এবং ছেলে উভয়ের জন্য শীতকালীন অবকাশে রয়েছে শীতকালীন জামা। প্রধানত এটি একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান। তবে আমেরিকাতেও তাদের শাখা থাকায় সেখানেও প্রতিষ্ঠানটি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে নানান কাপড় বিক্রয় হয়।

আসছে আগামী ঈদ, তারই পরিপ্রেক্ষিতে তারা তাদের ব্যবসাকে আরো প্রশস্ত করার জন্যে আগামী ঈদের উদ্দেশ্যে ছেলেদের জন্য নতুন নতুন ধরনের পাঞ্জাবি এমনকি নতুন ধরনের টি শার্টের পাশাপাশি বিভিন্ন আকর্ষণীয় জামাকাপড় বিক্রয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। মেয়েদের জন্যও তাদের প্রস্তুতি ঠিক তেমনই। নানারকম রঙিন কাপড়, আকর্ষণীয় জামা ইত্যাদি তারা মেয়েদের জন্য তৈরি করে রেখেছে।

নানান জায়গায় শাখা থাকলেও চট্টগ্রাম নগরীর সবুজবাগের কাজীবাড়িতে এম-ফ্রিক্স অফিসের প্রধান শাখা অবস্থিত। দেশের বাইরে আমেরিকার কুইনস শহরের এস্টোরিয়ায় তাদের আরো একটি শাখা অফিস রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে তাদের বাংলাদেশের আরো বিভিন্ন অঞ্চলে এম-ফ্রীক্স এর শাখা করার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান উদীয়মান এই তিন উদ্যোগক্তা। চট্টগ্রামের ভিতরে তাদের কোনো অর্ডার আসলে তারা একদিনের মধ্যে ডেলিভারি করার সুবিধা প্রদান করেন। তবে চট্টগ্রামের বাহিরে কোন স্থান হতে অর্ডার আসলে ডেলিভারি দিতে সর্বোচ্চ দুই-তিন দিন সময় প্রয়োজন হয়।

বিভিন্ন জায়গায় অনেক মানুষ এম-ফ্রিক্সের কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শিক্ষিত তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয় বলে প্রতিষ্ঠাতাসূত্রে জানা যায়। নিজস্ব গার্মেন্টস থেকে এইসব পন্য উৎপন্ন হয় বলে ক্রেতারা গুনগত মান ও দাম নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন। এভাবেই তাদের এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

সমাজ সংস্কারকদের মতে, এ ধরনের সাহসী উদ্যোগ বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দিবে। তাছাড়াও তাদের সফলতার গল্পে অনেক ব্যর্থ মানুষও ঘুরে দাঁড়াবেন বলে আশা করছেন নেটিজেনরা।

যোগাযোগ::০১৮৮১৪১৬০৩৬
০১৬১১৮৮০০৯৮


Related posts

আইটেলের গ্র্যান্ড মিটআপ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সন্দ্বীপ উড়িরচর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

জামালপুরে আগুনে দগ্ধ হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক